Wednesday, June 15, 2016
কাল ভোররাতে আমার মৃত্যূ দেখলাম
কাল ভোররাতে আমার মৃত্যূ দেখলাম
না পাওয়া প্রেম, অষাড় ভোগের জানালা দিয়ে দেখা মৃত্যূ।
আমার খুব কাছের বন্ধুরা সোল্লাসে স্লোগান দিছছিল
শালা গেছে বাঁচা গেছে।
হিয়েরোগ্লাফিক্সে লেখা এপিটাফটা আঠা দিয়ে জোড়া...
পুরনো প্রেমিকারা নালার কালো জলের মত তলপেট খুলে হাসছিল
পাড়ার বন্ধুরা আজ অফিস কেটে মলএ বারগার খেতে যাবে
তাদের তিনমণি বউদের নিয়ে…যারা এক সময় আমার খাটের তলায়
বহু দুশ্চিন্তার প্রহর কাটিয়েছে...ঈর্ষা করেছে একে অপরকে
তারাই পাছা দুলিয়ে বলবে
সখী এবার স্পষ্ঠ কথা দিয়ে কষ্ট পাওয়ার দিন শেষ।
কবিতা দিয়ে আর প্রতিশোধ নিতে ও পারবেনা।
ফুলের মধ্যে শিঊলি ই আজ ফুটবে...তবে দেরীতে।
লাল ঘরে ঘরে এখন কমলা আলো
দূর থেকে দেখতে পেলাম কাঁটা বেধাঁনো আমার নগ্ন মৃতদেহ
একলা শিশুর মত নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছে...কিচ্ছু যায় আসে না তার
দূরে মুখ লুকিয়ে কাঁদছিল একটি মেয়ে যাকে ৩০ টাকায় কিনেছিলাম
শুধু বিদায় নেওয়া হল না।
আমি এক অন্ধকার থেকে আর এক অন্ধকার এ মুখ লুকোলাম।
না পাওয়া প্রেম, অষাড় ভোগের জানালা দিয়ে দেখা মৃত্যূ।
আমার খুব কাছের বন্ধুরা সোল্লাসে স্লোগান দিছছিল
শালা গেছে বাঁচা গেছে।
হিয়েরোগ্লাফিক্সে লেখা এপিটাফটা আঠা দিয়ে জোড়া...
পুরনো প্রেমিকারা নালার কালো জলের মত তলপেট খুলে হাসছিল
পাড়ার বন্ধুরা আজ অফিস কেটে মলএ বারগার খেতে যাবে
তাদের তিনমণি বউদের নিয়ে…যারা এক সময় আমার খাটের তলায়
বহু দুশ্চিন্তার প্রহর কাটিয়েছে...ঈর্ষা করেছে একে অপরকে
তারাই পাছা দুলিয়ে বলবে
সখী এবার স্পষ্ঠ কথা দিয়ে কষ্ট পাওয়ার দিন শেষ।
কবিতা দিয়ে আর প্রতিশোধ নিতে ও পারবেনা।
ফুলের মধ্যে শিঊলি ই আজ ফুটবে...তবে দেরীতে।
লাল ঘরে ঘরে এখন কমলা আলো
দূর থেকে দেখতে পেলাম কাঁটা বেধাঁনো আমার নগ্ন মৃতদেহ
একলা শিশুর মত নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছে...কিচ্ছু যায় আসে না তার
দূরে মুখ লুকিয়ে কাঁদছিল একটি মেয়ে যাকে ৩০ টাকায় কিনেছিলাম
শুধু বিদায় নেওয়া হল না।
আমি এক অন্ধকার থেকে আর এক অন্ধকার এ মুখ লুকোলাম।
ধর্মের কল আজ ও কি বাতাসে নড়ছে?
Tuesday, June 14, 2016
ঋণ
চাপকান পড়া তাগড়া কাবুলীর মত তোমার ঋণ
আমায় তাড়া করে বেড়াচ্ছে ঝিনি।
দেওয়ালে টাঙানো তোমার ছবিগুলো ক্রুর হাঁসি হেসে বলছে...
আমার হাত ছাড়িয়ে কোথায় পালাবে তুমি?
বড়বাজার, ক্যানিঙ স্ট্রিট, চিনে পল্লির অলিগলি দিয়ে
পালিয়েও তোমার ঋণ এড়াতে পারছিনা।
আঊট্রাম ঘাটের জাহাজগুলোও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে আমার থেকে,
বাইপাস মুখেরওপর সার্চলাইট ফেলে বলছে......”ঋণ শোধ কর”
আমায় তাড়া করে বেড়াচ্ছে ঝিনি।
দেওয়ালে টাঙানো তোমার ছবিগুলো ক্রুর হাঁসি হেসে বলছে...
আমার হাত ছাড়িয়ে কোথায় পালাবে তুমি?
বড়বাজার, ক্যানিঙ স্ট্রিট, চিনে পল্লির অলিগলি দিয়ে
পালিয়েও তোমার ঋণ এড়াতে পারছিনা।
আঊট্রাম ঘাটের জাহাজগুলোও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে আমার থেকে,
বাইপাস মুখেরওপর সার্চলাইট ফেলে বলছে......”ঋণ শোধ কর”
নীরবতার কাছে শব্দ ঋণী
অন্ধকারের কাছে আলো ঋণী
পাপের কাছে পুণ্য ঋণী
কালোর কাছে সাদা ঋণী
মৃত্যুর কাছে জীবন ঋণী
মোটা মাড়োয়ারীর কাছে গোটা কলকাতা ঋণী
আরও কতজনার কাছে কে কে যে ঋণী তার হিসেব মিলবেনা।
প্রথম শীতের মোলায়েম এই রাত যে আমায় কাঁটা চাঁমচ দিয়ে
ছিঁড়ে খাচ্ছে তোমার বুকের ঊষ্ণতার অভাবে.........
এই অভাবের ঋণ কে মেটাবে ঝিনি?
অন্ধকারের কাছে আলো ঋণী
পাপের কাছে পুণ্য ঋণী
কালোর কাছে সাদা ঋণী
মৃত্যুর কাছে জীবন ঋণী
মোটা মাড়োয়ারীর কাছে গোটা কলকাতা ঋণী
আরও কতজনার কাছে কে কে যে ঋণী তার হিসেব মিলবেনা।
প্রথম শীতের মোলায়েম এই রাত যে আমায় কাঁটা চাঁমচ দিয়ে
ছিঁড়ে খাচ্ছে তোমার বুকের ঊষ্ণতার অভাবে.........
এই অভাবের ঋণ কে মেটাবে ঝিনি?
গার্গী
কাল স্বপ্ন দেখলাম
যে তুমি মারা গেছো।
মারা গেছো এক অচেনা অজানা দেশে
এমন একটা শহর যা সমস্ত চেনা শহরের থেকে আলাদা, বিচিত্র।...
তারা তোমার মৃতদেহ একটা খোলা কবরে
শুইয়ে রেখেছে।
এক নির্জন স্থানে যার আশেপাশে শুধুই নিস্তব্ধতা।
যাতে তুমি মরণোত্তোর স্বাতন্ত্র্য উপভোগ করতে পার......যা তুমি সারা জীবন চেয়েছ।
তাই কাল রাতে তোমায় সেখানেই রেখে দিয়ে এলাম, একা, অসাড়
র্নিলিপ্ত নক্ষত্রমণ্ডলীর তলায়। অনন্তকালের জন্য।
গার্গী
তোমায় আর মনে রাখবনা,
তুমি হয়ত আমার প্রথম প্রেমিকার থেকেও সুন্দর ছিলে
কিন্তু আজ সময় তোমার প্রতি উদাসীন...
কারণ ভালবাসার অমরত্ব তুমি পাওনি।।
২৫এ ডিসেম্বর, ২০১৩
যে তুমি মারা গেছো।
মারা গেছো এক অচেনা অজানা দেশে
এমন একটা শহর যা সমস্ত চেনা শহরের থেকে আলাদা, বিচিত্র।...
তারা তোমার মৃতদেহ একটা খোলা কবরে
শুইয়ে রেখেছে।
এক নির্জন স্থানে যার আশেপাশে শুধুই নিস্তব্ধতা।
যাতে তুমি মরণোত্তোর স্বাতন্ত্র্য উপভোগ করতে পার......যা তুমি সারা জীবন চেয়েছ।
তাই কাল রাতে তোমায় সেখানেই রেখে দিয়ে এলাম, একা, অসাড়
র্নিলিপ্ত নক্ষত্রমণ্ডলীর তলায়। অনন্তকালের জন্য।
গার্গী
তোমায় আর মনে রাখবনা,
তুমি হয়ত আমার প্রথম প্রেমিকার থেকেও সুন্দর ছিলে
কিন্তু আজ সময় তোমার প্রতি উদাসীন...
কারণ ভালবাসার অমরত্ব তুমি পাওনি।।
২৫এ ডিসেম্বর, ২০১৩
ধর্মদ্রোহী
ঝিনি
তোমার চোখ দুটো আমায় রাজদ্রোহী করেছিল একদিন বিকেলে
রাজ ঐশ্বর্যের আশা দেখিয়েছিল ওই চোখদুটো...
যা পৃথিবী ভুলে গেছে বহুকাল।
ধ্বংসের ভয় ছিলনা সেদিন। ছিল শুধু প্রত্যাশার আকুতি,
বির্ধমি প্রেমের সাক্ষরতা ছিল তোমার চাহনিতে
অলস ভাবে টেনে নিয়ে গিয়েছিল এক যাদুকরের গুহায়
সেখান থেকে শহর দেখা যায়না, গঙ্গার জলে মৎস্য কন্যারা জলকেলি করে
ব্রিগেডে কবি সম্মেলন হয়।
গভীর, গহন সেই চোখে শরতের মেঘ ওড়না হয়ে ভাসে
রাত হটাৎ থেমে যায়, বাতাসে বেজে ওঠে মল্লহারের সূর
আর সেই নিশ্তব্ধতা চিরে তোমার চোখ আদেশ দিয়েছিলো
আমায় পাপ করতে...পাপ করেওছিলাম,
কারন তোমার চোখে দেখেছিলাম বিশ্বাসের আগুন
যেখান থেকে আমার অনুভূতিগুলো একে একে ফিনিক্সের মত জন্ম নিচ্ছে।
তুমি আমার কাছে রাত্রি চেয়েছিলে
আমার যৌনতা জ্বালিয়ে তোমার জন্য রাত্রি এনে দিয়েছিলাম
ঠিক এইখানে যেখান ওরা সভ্যতাকে খুন করেছিল।
সেদিন মত্ত্ব হয়ে তোমার চোখে
দেখেছিলাম প্রেম, আত্মাহুতি, কলঙ্ক্......সুগটিত, উচ্ছল, উদ্দাম
যা ভবিষ্যতের অন্ধকার চিরে ধিকিধিকি করে জ্বলে।
তোমার চোখে হয়ত সেদিন আমি পুরহিত বা পাপী ছিলাম
আজ সেই ছোখেই আমি ধর্মদ্রোহী হয়ে গেলাম?
১৬ই ডিসেম্বর, ২০১৩
Wednesday, June 8, 2016
Do you know
How much hunger stays concealed in a loaf of bread
How many dreams die captive inside a prison wall.
How much pain lies alone while dying in a hospital bed
How many seas does it take to make a raindrop ...
How many skies die along with a bird
How many kisses does a woman conceal in her lips
How much light does blindness rob
How much more would she keep me out of her self
What difference would writing poetry do in these troubled times.
How much hunger stays concealed in a loaf of bread
How many dreams die captive inside a prison wall.
How much pain lies alone while dying in a hospital bed
How many seas does it take to make a raindrop ...
How many skies die along with a bird
How many kisses does a woman conceal in her lips
How much light does blindness rob
How much more would she keep me out of her self
What difference would writing poetry do in these troubled times.
Translated by Deepanjan Banerjee from Nabarun Bhattacharya's poem!
Subscribe to:
Posts (Atom)